শনিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২১
Logo
অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রী

অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রী

স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বাঙ্গালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শীতা, অদম্য সাহস আর চ্যালেঞ্জের ফসল বাংলাদেশিদের গৗরবের স্থাপনা পদ্মা সেতুর সর্বশেষ স্প্যানটি বসেছে বৃহস্পতিবার। অনেক ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে আমরা এই সেতুর মাধ্যমে পদ্মার দুই পারকে সংযুক্ত করতে পেরেছি।

 

প্রমত্তা পদ্মার বুকে নিরবচ্ছিন্নভাবে দৃশ্যমান হয়েছে প্রায় সোয়া ছয় কিলোমিটার দীর্ঘ সেতুটি। সেতুর স্টিলের অবকাঠামো পদ্মার দুই পারের মানুষের মনে স্বপ্নের মেলবন্ধন ঘটিয়েছে।


আনন্দের হিল্লোল বইছে মানুষের মনে। একই সঙ্গে সমৃদ্ধ দক্ষিণাঞ্চলের স্বপ্নও বাস্তবের বড় কাছাকাছি চলে এসেছে। অপেক্ষার প্রহর দীর্ঘ হয়, তার পরও দেখতে দেখতে চলে যাবে বাকি দিনগুলো।

 

পদ্মা সেতুর উপর দিয়ে ছুটবে যানবহন। যদিও ষড়যন্ত্র না হলে পদ্মা সেতু অনেক আগেই সম্পন্ন হতো, এত দিনে সেতুর ওপর দিয়ে যানবাহন চলাচল করত। যদিও ষড়যন্ত্রের খল নায়কদের চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সেই সাহসী ঘোষণা আসে।

 

তিনি জানিয়ে দেন যে কারো অর্থে নয়, সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থেই আমরা পদ্মা সেতু করব। তাতেও থেমে যাননি ফরমায়েশি অর্থনীতিবিদরা। তাঁরা বলতে থাকেন, নিজস্ব অর্থে পদ্মা সেতু বানাতে গেলে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শেষ হয়ে যাবে।

 

আমদানি বন্ধ হয়ে যাবে। দেশ মহাসংকটে পড়বে। কিছুই হয়নি। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কয়েক গুণ বেড়ে ৪০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। বাস্তবায়ন হয়েছে স্বপ্নের পদ্মা সেতুর। দৃঢ়তা, চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার সাহস ও দূরদর্শীতায় অনন্য প্রধানমন্ত্রীকে তাই অভিনন্দন।

সংযুক্ত থাকুন