বৃহস্পতিবার, ১৩ মে ২০২১
Logo
অভয়নগরে এক ইউপি’র ৩শ’৫৫জন ভিজিডি কার্ডধারী সুবিধা বঞ্চিত

অভয়নগরে এক ইউপি’র ৩শ’৫৫জন ভিজিডি কার্ডধারী সুবিধা বঞ্চিত

চেয়ারম্যান-মেম্বারদের দ্বন্দ্ব

অভয়নগর উপজেলার শ্রীধরপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান-মেম্বারদের দ্বন্দ্বে ‘দুস্থদের উন্নয়নের জন্য বরাদ্দ ভালনারেবল গ্রুপ ডেভেলপমেন্ট’ (ভিজিডি) এর ৩৫৫ জন কার্ডধারী সুবিধাবঞ্চিত রয়েছে। গত তিন মাস ধরে দফায় দফায় সমঝোতার চেষ্টা করেও মেলেনি প্রতিকার।


চেয়ারম্যান স্বাক্ষর না করায় মিলছে না বরাদ্দ। ক্ষোভে ফুঁসে উঠেছে কার্ডধারী হতদরিদ্ররা। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শ্রীধরপুর ইউনিয়নে ভিজিডি কার্ডধারীর সংখ্যা ৩৫৫ জন। বিভিন্ন অনিয়মের কারণে ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী মোল্যার বিরুদ্ধে গত ৪ মাস পূর্বে পরিষদের ১২ জন সদস্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন।


ঘটনার তদন্তে চেয়ারম্যান অভিযুক্ত প্রমাণিত হলে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। এরপর থেকে শুরু হয় চেয়ারম্যান-মেম্বারদের মধ্যে দ্বন্দ্ব। চলমান দ্বন্দ্বের কারণে গত তিন মাস ধরে বন্ধ রয়েছে ভিজিডি’র বরাদ্দ। একই দ্বন্দ্বের কারণে গত এক মাস ধরে বন্ধ রয়েছে ১০ টাকা কেজি দরের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি। শংকরপাশা গ্রামের সুবিধাভোগী আব্দুর রশিদ শিকদার, শ্যামলী বেগমসহ অসংখ্য কার্ডধারীর অভিযোগ, চলতি বছরের জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসের ভিজিডি’র চাল পাইনি।


খুব কষ্টের মধ্যে দিন চলছে। চেয়ারম্যান আর মেম্বারদের কারণে আমরা না খেয়ে মরতে বসেছি। দ্রুত চাল না পেলে আমরা ইউনিয়ন পরিষদ ঘেরাও করবো। এ ব্যাপারে একাধিক ইউপি সদস্যের সাথে কথা হলে তারা জানান, ভিজিডি’র বরাদ্দপত্রে আমরা স্বাক্ষর করলেও চেয়ারম্যান স্বাক্ষর করেনি। যে কারণে হত দরিদ্ররা তিন মাস ধরে সুবিধা বঞ্চিত আছে।


ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী মোল্যা জানান, অনৈতিক সুবিধা না দেওয়ায় ইউপি সদস্যরা আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করেছে। সাময়িক বরখাস্ত থাকায় কোন কাগজপত্রে আমি স্বাক্ষর করতে পারিনি। সৃষ্ট জটিলতার জন্য ইউপি সদস্যরা দায়ি।


উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আমিনুর রহমান মুঠোফোনে জানান, শ্রীধরপুর ইউনিয়নের ভিজিডি’র বরাদ্দের সমাধান হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে কার্ডধারীদের মাঝে তিন মাসের ৯০ কেজি চাল বিতরণ করা হবে।

সংযুক্ত থাকুন