মঙ্গলবার, ০৯ মার্চ ২০২১
Logo
কালীগঞ্জ মুক্তিযোদ্ধা ভবনে দুপুরের পর উড়েছে জাতীয় পতাকা

কালীগঞ্জ মুক্তিযোদ্ধা ভবনে দুপুরের পর উড়েছে জাতীয় পতাকা

মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে কালীগঞ্জ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্্র ভবনে দুপুর পর্ষন্ত আধাবেলা পতাকা উত্তোলন হয়নি। ২১ ফেব্রুয়ারী রোববার দুপুর ২ টায় মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনে গিয়ে দেখা যায় কোন পতাকা উড়ছে না।

 

লোকমুখে এমন খবর শহরময় ছড়িয়ে পড়লে টনক নড়ে প্রশাসনের। তারা দুপুর আড়াইটার দিকে দু’জন মুক্তিযোদ্ধা সদস্যকে নিয়ে ভবনে এসে পতাকা উত্তোলনের ব্যাবস্থা করেন।

 

এ নিয়ে জনমনে প্রশ্ন, একটি জাতীয় দিবসে বীর সন্তানদের শ্রদ্ধা জানাতে এমন দ্বায়িত্বহীন কর্মকান্ডের দ্বায়ভার নেবে কে? পতাকা উত্তোলন হয়নি এমন বিষয়ে সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার হেলাল উদ্দিন জানান, ২১ ফেব্রুয়ারী দিবসটি আয়োজনে উপজেলা প্রশাসনের প্রস্তুতিমুলক সভাতে তাকে ডাকা হয়নি। মুক্তিযোদ্ধাদের কমিটি বিলুপ্তির পর বর্তমানে আর কোন নতুন কমিটি হয়নি। এখন মুক্তিযোদ্ধা ভবনটির সার্বিক দ্বায়িত্বে রয়েছেন ইউএনও।

 

যে কারনে পতাকার দ্বায়ভার ইউএনও’র উপরই বর্তায় বলে জানান তিনি। এ বিষয়ে কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার সূবর্ণা রানী সাহা জানান, মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসটিতে পতাকা উত্তোলন না হওয়ার ঘটনাটি দুঃখজনক। দিবসটি যথাযোগ্য মর্ষাদায় পালনে ইতিপূর্বেই উপজেলা প্রশাসন সকলকে নিয়ে এক প্রস্তুতিমুলক সভাতে কমিটি গঠন ছাড়াও স্ব স্ব সংগঠনকে দ্বায়িত্ব পালনের কথাও বলা হয়েছে।

 

ওই কমিটিতে মুক্তিযোদ্ধাদের সাবেক দুই কমান্ডার হেলাল উদ্দিন সর্দার ও সেকেন্দার আলী অন্তর্ভুক্ত আছেন। পতাকা উত্তোলন তাদেরও দেখভাল করা উচিত ছিল। তিনি জানান, উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে রাতে শহীদ বেদিতে ফুল ও সকালের প্রভাত ফেরি অনুষ্ঠান নিয়ে তিনি ব্যাস্ত ছিলেন। যে কারনে ওই ঘটনাটি তার নজরের বাইরে ছিল। ইউএনও আরো জানান, মুক্তিযোদ্ধাদের বর্তমানে কোন কমিটি নেই।

 

তাই উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এক বৃদ্ধকে মুক্তিযোদ্ধা ভবনটি তত্বাবধানের দ্বায়িত্ব দেয়া আছে। তিনি কেন পতাকা উত্তোলন করেননি এ বিষয়ে খোজ নিয়ে দ্রুত ব্যাবস্থা নিচ্ছেন বলে জানান তিনি।

সংযুক্ত থাকুন