বুধবার, ২১ এপ্রিল ২০২১
Logo
কেশবপুরে বঙ্গবন্ধুর শতবার্ষিকীতে ৩৪ ভূমি ও গৃহহীন পরিবার পেল সরকারী ঘর

কেশবপুরে বঙ্গবন্ধুর শতবার্ষিকীতে ৩৪ ভূমি ও গৃহহীন পরিবার পেল সরকারী ঘর

 

বঙ্গবন্ধুর শত বার্ষিকীতে কেশবপুরের পাঁজিয়ায় ৩৪ ভূমি ও গৃহহীন পরিবারকে পাকা ঘর বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তত্বাবধানে দ্রুত এগিয়ে চলছে গৃহ নির্মানের কাজ।


পাঁজিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকারী কর্মকর্তা আব্দুল খালেক এই প্রতিনিধিকে জানান, এ বছর বঙ্গবন্ধুর শত বার্ষিকীতে দেশের যে সব ভুমি ও গৃহহীন পরিবার আছে তাদেরকে সরকারী খরচে গৃহদানের ঘোষনা দেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা।


সরকারের সেই ঘোষনা বাস্তবায়ন করতে কেশবপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভুমি) ইরুফা সুলতানা তাকেসহ সঙ্গীয় পুলিশ ফোর্স নিয়ে অভিযান চালিয়ে পাঁজিয়া ইউনিয়নে ঘর নির্মান উপযোগী প্রধান প্রধান সড়কের পাশ্ববর্তি ১ একর ৪০ শতক সরকারী খাঁস জমি উদ্ধার করেন।


উদ্ধারকৃত খাঁস জমি সরকারী নির্দেশনা অনুযায়ী ইউনিয়নের যারা প্রকৃতপক্ষে ভূমি ও গৃহহীন পরিবার শুধুমাত্র তাদের প্রত্যেককে ২ শতক করে এই জমি বরাদ্দ দেয়া হয় এবং ৩ কক্ষ বিশিষ্ট এই গৃহ নির্মানের জন্য প্রত্যেক ঘরের জন্য খরচ বাবদ ১ লাখ ৭১ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয় সরকার। তিনি আরো বলেন, এই ইউনিয়নে এ পর্যন্ত ৩৪ ভূমি ও গৃহহীন পরিবারের জন্য পাকা গৃহ নির্মানের কাজ চলমান রয়েছে। এর মধ্যে ইউনিয়নের সাতাশকাটি এলাকার ৭টি ঘর নির্মানের কাজ মার্চ মাসেই শেষ হয়েছে, বেলোকাটি গ্রামে ১৮টি ঘর নির্মানের কাজ চলমান রয়েছে।

 

অবশিষ্ট ৯টি ঘরের জন্য গড়ভাঙ্গা- মান্দারডাঙ্গা এলাকায় মাটি ভরাটের কাজ চলছে। ভুমি অফিসের সেবা প্রদানের পাশাপাশি তিনি প্রতিদিন দু-এক বার সরেজমিনে গিয়ে গৃহ নির্মান কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে খবরাখবর নিচ্ছেন। পাঁজিয়া ইউনিয়নের ৩৪ জন উপকারভোগীদের মধ্যে ১৬ জনের নাম জানা গেছে।

 

তারা হলেন, মাদারডাঙ্গা গ্রামের মসলেম সরদারের ছেলে আলী রেজা, পাঁচবাকা বর্শি গ্রামের এলাহি সরদারের মেয়ে মনজুরা খাতুন, ইমাননগর গ্রামের জাহেদ সরদারের মেয়ে সুফিয়া বেগম, গড়ভাঙ্গা গ্রামের সোহরাব হোসেনের ছেলে রেজাউল করিম, আরশাদ আলী গাজীর ছেলে সোহরাব হোসেন, এলাহি সরদারের ছেলে মাজহারুল ইসলাম, ছমির সরদারের ছেলেমিন্টু রহমান, বেলোকাটি গ্রামের আব্দুল জলিলের ছেলে আনিছুর রহমান, শাহাজাহান আলীর ছেলে মিন্টু হোসেন, আলাল গাজীর স্ত্রী মুন্নি বেগম, কওছার জোমাদারের ছেলে বাবলুর রহমান, ডোঙ্গাঘাটা গ্রামের অধীর রায়ের ছেলে গোপাল রায়, মনোহরনগর গ্রামের আনছার গাজীর ছেলে শহিদুল, মৃত ঝন্টু সরদারের ছেলে আরিফ সরদার, পাঁজিয়া মাদারডাঙ্গা গ্রামের মোজাম আলীর ছেলে জাহাঙ্গীর আলম ও সেলিম সরদারের স্ত্রী রহিমা খাতুন।

 

উপকারভোগীরা সবাই সরকারীভাবে ঘর পেয়ে খুব খুশি। সবাই সরকারী গৃহে উঠার প্রহর গুনছে। এব্যাপারে কেশবপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মোঃ রিজিবুল ইসলাম বলেন, এলাকায় বসবাসের জন্য যাদের কোন নিজস্ব জায়গা বা বসবাসের মত ঘর নেই, শুধুমাত্র তাদের জন্য সরকার এই অনুদান দিয়েছে। যদি কোন উপকারভোগী তথ্য গোপন করে সরকারী অনুদান গ্রহন করে তাহলে জানা মাত্রই এই অনুদান বাতিলপূর্বক তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

সংযুক্ত থাকুন