বৃহস্পতিবার, ২২ এপ্রিল ২০২১
Logo
কেশবপুরে ভিজিডি কার্ড পেতে অসহায় মহিলা ছাগল বিক্রি করে টাকা দিয়েছেন মেম্বর শহর আলীকে!

কেশবপুরে ভিজিডি কার্ড পেতে অসহায় মহিলা ছাগল বিক্রি করে টাকা দিয়েছেন মেম্বর শহর আলীকে!

কেশবপুরে এক ইউপি মেম্বরের বিরুদ্ধে ভিজিডি কার্ড দেবার নামে টাকা আতœসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

 

এঘটনায় ভুক্তভোগী উপজেলার ভালুকঘর গ্রামের টুকুল মোল্যার স্ত্রী হতদরিদ্র তানজিলা বেগম বাদী হয়ে ঐ মেম্বরের বিরুদ্ধে সোমবার (১ মার্চ-২০২১) উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন।

 

নির্বাহী অফিসার বরাবর অভিযোগে তানজিলা বেগম উল্লেখ করেছেন, তিনি উপজেলার ১০নং সাতবাড়িয়া ইউনিয়নের ভালুকঘর গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা এবং একজন অসহায় গরীব মহিলা।

 

চলতি অর্থ বছরে সরকার কর্র্তৃক ভিজিডি কার্ড এর আবেদন গ্রহন করাকালীন সময়ে তিনিও একজন দুঃস্থ মহিলা হিসেবে অনলাইনে আবেদন করেন এবং অত্র ইউনিয়নের তাদের ৮নং ওয়ার্ডের মেম্বর শহর আলী গাজী বিজিডি কার্ড পাওয়ার জন্য অীফস খরচ বাবাদ তার নিকট ৪ হাজার টাকা দাবি করেন।

 

তিনি মেম্বরের কথামত নিজের শেষ সম্বল একটি ছাগল বিক্রি করে উক্ত অফিস খরচ বাবদ ৪ হাজার টাকা ঐ মেম্বরের নিকট প্রদান করেন। সম্প্রতি বিশ্বস্ত একটি সূত্রে জানতে পারি যে, ভিজিডি কার্ডের চুড়ান্ত তালিকায় তার নাম নেই।

 

কার্ডের ব্যাপারে উক্ত মেম্বর শহর আলীর কাছে জিজ্ঞাসা করলে তিনি ভুক্তভোগী মহিলাকে জানান যে, এ বৎসর ভিজিডি কার্ড ইএনও স্যার নিজে করেছেন, এখানে তার কোন হাত নেই। কার্ডের জন্য দেয়া ৪ হাজার টাকা ফেরৎ চাইলে উক্ত মেম্বর টাকা ফেরৎ না দিয়ে বিভিন্ন ভাবে টালবাহলা শুরু করেন।

 

উপয়ান্তর না পেয়ে অভিযুক্ত মেম্বরের বিরুদ্ধে সোমবার ঐ অসহায় মহিলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন। এব্যাপারে অভিযুক্ত মেম্বর শহর আলী গাজী এই প্রতিনিধিকে জানান, কার্ডের নামে টাকা আত্নসাতের ঘটনা সম্পূর্ন মিথ্যা। আমাকে হয়রানীর উদ্দেশ্যে এই মিথ্যা অভিযোগ করেছে।

 

এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এম.এম আরাফাত হোসেন বলেন, ভিজিডি কার্ডের নামে ইউপি মেম্বরের টাকা আতœসাতের বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি, তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

 

সংযুক্ত থাকুন