মঙ্গলবার, ২০ এপ্রিল ২০২১
Logo
কেশবপুর পৌরসভা নির্বাচনে ২৩ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

কেশবপুর পৌরসভা নির্বাচনে ২৩ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

কেশবপুর পৌরসভা নির্বাচনে ২৩ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্তকেশবপুর পৌরসভা নির্বাচনে ১১ হাজার আটশ’ ৮৮ ভোট পেয়ে দ্বিতীয়বারের মতো মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি রফিকুল ইসলাম মোড়ল। 

 

নির্বাচনের চেয়ে তার ভোট বেড়েছে দু’হাজার ছয়শ’ ৩৯টি। গত রোববার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে প্রাপ্ত ভোটের মধ্যে তিনি পেয়েছেন ৮১ দশমিক ৩৬ শতাংশ ভোট।

 

কিন্তু এবারের নির্বাচনে জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে ইসলামী আন্দোলনের মেয়র প্রার্থী ছাড়াও সংরক্ষিত ও সাধারণ ওয়ার্ডের ২৩ কাউন্সিলর প্রার্থীর। শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত রোববারের পৌর নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।

 

নয়টি ওয়ার্ডের ১০টি কেন্দ্রে ২০ হাজার সাতশ’ ৭৫ জন ভোটারের মধ্যে ভোট দিয়েছেন ১৪ হাজার ছয়শ’ ৪৯ জন। ভোট পড়েছে ৭০ দশমিক ৫১ শতাংশ।

 

এদিকে, নির্বাচনে বিজয়ী কাউন্সিলরদের মধ্যে পুণরায় নির্বাচিত হয়েছেন দু’নম্বর সংরক্ষিত নারী ওয়ার্ডের আছিয়া খাতুন এবং সাধারণ ওয়ার্ডের শেখ আতিয়ার রহমান, মশিয়ার রহমান, আফজাল হোসেন বাবু, শহিদুজ্জামান বিশ্বাস ও শেখ এবাদত সিদ্দিক বিপুল।

 

বিরতির পর পৌর পরিষদে ফিরলেন প্রাক্তন কাউন্সিলর মনোয়ার হোসেন মিন্টু ও আব্দুল হালিম। প্রথমবার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেই নির্বাচিত হয়েছেন জি এম কবীর, কামাল খান, খাদিজা খাতুন ও আছমা খলিল।

 

এদিকে, নির্বাচন কমিশনের বিধি অনুযায়ী, নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী কোনো প্রার্থী মোট প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগ না পেলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হয়ে যায়।

 

সে অনুযায়ী জামানত হারিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মেয়র প্রার্থী আব্দুল কাদের। সাধারণ কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদের ৫১ জন প্রার্থীর মধ্যে ২২ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

 

এর মধ্যে সাধারণ কাউন্সিলর প্রার্থী ৩৮ জনের মধ্যে ১৭ এবং সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর প্রার্থী ১৩ জনের মধ্যে পাঁচজন রয়েছেন। সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর প্রার্থীদের মধ্যে জামানত হারিয়েছেন রাশিদা খাতুন, মঞ্জুয়ারা বেগম, শাহানা কবির, রিক্তা খাতুন ও জাহানারা খানম।

 

সাধারণ কাউন্সিলর প্রার্থীদের মধ্যে জামানত হারিয়েছেন সোহেল হাসান, জামাল উদ্দিন, শওকত হোসেন, মনিরুজ্জামান, আজিবর মোড়ল, মোরশেদ আলী, আব্দুর রাজ্জাক, মশিয়ার রহমান, প্রদীপ চক্রবর্ত্তী, কুতুব উদ্দিন বিশ্বাস, মেহেদী হাসান, মানিক লাল, ওয়াজেদ খান, সেলিম খান, খন্দকার মফিদুল ইসলাম, আব্দুল গফুর মোড়ল ও আব্দুল বারিক বিশ্বাস।

 

সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা বজলুর রশিদ ওইসব প্রার্থীর জামানত হারানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সংযুক্ত থাকুন