শুক্রবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২০
Logo
ডায়াবেটিস রোগীদের যে বিষয় জানা দরকার

ডায়াবেটিস রোগীদের যে বিষয় জানা দরকার

এটি এমন একটি রোগ যার কোন শেষ নেই বা কখনও নির্মূল হবে না। একটি সুশৃঙ্খল জীবন ব্যবস্থা, রুটিনমাফিক জীবন, কিছু খাদ্যভ্যাস, আর নিয়মিত ব্যায়াম এই রোগকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। আমাদের চারপাশে যেসব খাবার আছে, তার থেকে আমাদের প্রতিদিনের খাদ্য তালিকা তৈরি করে নিতে হবে। তবে খেয়াল রাখতে হবে তা যেন অবশ্যই পুষ্টিকর ও সুষম খাবার হয়। যেসব নিয়ম আমরা মেনে চলবো- প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠে সকালের মুক্ত হাওয়ায় কিছুক্ষণ শরীরচর্চা বা ব্যায়াম করা যায়। এটি আমাদের শ্বাস-প্রশ্বাস ভালো রাখে এবং একজন ডায়াবেটিস রোগীর জন্য খুবই প্রয়োজনীয়। খাবারের সময় একবারে বেশি খাবার না খেয়ে খাবারের সময়কে আমরা ৬ ভাগে ভাগ করে নিতে পারি। যারা ইনসুলিন নিচ্ছেন তারা অন্তত তিন থেকে চার ঘণ্টা পরপর কিছু না কিছু খাবার খেতে চেষ্টা করবেন। প্রতিটি মানুষের জন্য শর্করা অপরিহার্য। কিন্তু যাদের ডায়াবেটিস আছে তাদের জন্য প্রয়োজন এমন শর্করা, যা ভেঙে ডায়াবেটিস রোগীদের দেহে কম গ্লুকোজ তৈরি করবে এবং রক্তের গ্লুকোজের পরিমাণ বাড়াবে না বা শর্করার পরিমাণ বাড়াবে না। যেমন লাল আটার রুটি, লাল চালের ভাত ইত্যাদি। তবে মিষ্টি জাতীয় খাবারগুলো ডায়বেটিস রোগীদের এড়িয়ে চলাই ভালো। প্রোটিন বা আমিষ খেতে হবে, তবে লাল মাংস কম খাওয়াই ভালো। প্রোটিনের মধ্যে মাছ, মুরগি, দুধ, ডিম, বাদাম জাতীয় খাবার খেতে পারেন। প্রতিদিন রঙিন শাকসবজি ও ফল খেতে হবে। এগুলো থেকে পাওয়া যায় খনিজ, আঁশ ও ভিটামিন। প্রতিটি ডায়াবেটিস রোগীদের প্রতিদিন কিছু না কিছু আঁশযুক্ত খাবার খেতে হয়। ভিটামিন সি যুক্ত খাবার খেতে হবে। এতে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকবে ও ইউনিটি তৈরি হবে। প্রতিদিন নিয়ম করে অবশ্যই বাড়ির রোদযুক্ত স্থানে কিছু সময় থাকতে হবে। এতে সূর্যের আলো থেকে ভিটামিন ডি পাওয়া যাবে যা শরীরের ব্যথা দূর করবে ও শরীরে ইউনিটি তৈরি করবে।রান্নায় অবশ্যই তেলের পরিমাণ কম ব্যবহার করতে হবে। তবে ওমেগাযুক্ত তেলের ব্যবহার করা যায়। যেসব খাবারে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে যেমন ইলিশ মাছ, টুনা মাছ, রূপচাঁদা মাছ, বাদাম ইত্যাদি সপ্তাহে অন্তত দুইদিন হলেও খেতে হবে। প্রতিদিন ঘুমানোর আগে টক দই বা সর তোলা আধা কাপ দুধ খেতে পারেন। এতে করে আপনার ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণ হবে এবং আপনি সুস্থ থাকবেন।

সংযুক্ত থাকুন