বৃহস্পতিবার, ২২ এপ্রিল ২০২১
Logo
দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার তথ্য আগেই পেয়েছিলেন : পি কে হালদার

দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার তথ্য আগেই পেয়েছিলেন : পি কে হালদার

দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার আদেশের চিঠি ইমিগ্রেশন বিভাগে পৌঁছানোর আগেই তথ্য পেয়েছিলেন এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক ও রিলায়েন্স ফাইন্যান্স লিমিটেডের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রশান্ত কুমার (পি কে) হালদার। মঙ্গলবার সংশ্লিষ্ট কোর্টের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিকএ তথ্য জানান।


তিনি বলেন, পি কে হালদারের দেশত্যাগের বিষয়ে হাইকোর্টকে তথ্য জানিয়েছে ইমিগ্রেশন বিভাগ। তারা জানিয়েছে, পি কে হালদারের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ২০১৯ সালের ২৩ অক্টোবর বিকাল ৪টা ৩০ মিনিটে ইমিগ্রেশন বিভাগকে চিঠি দেয়।


ওই চিঠিটি একইদিন বিকাল ৫টা ৪৭ মিনিটে পিকে হালদারের নামসহ ইমিগ্রেশন বিভাগের ‘স্টপ তালিকা’র সিস্টেমে নথিভুক্ত করা হয়। তবে ইমিগ্রেশন বিভাগের সিস্টেম আপডেটের ৫১ মিনিট আগে একইদিন বিকাল ৫টা ৩৮ মিনিটে দেশত্যাগ করেন পি কে হালদার। সেদিন বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারতে চলে যান তিনি।


তিনি আরও বলেন, এখন স্বভাবতই প্রশ্ন উঠেছে কীভাবে দুদকের দেশত্যাগের নিষেধাজ্ঞার তথ্য আগেই পেয়েছে পি কে হালদার? এদিকে বাংলাদেশ ছাড়াও ক্যারিবীয় রাষ্ট্র গ্রানাডার পাসপোর্ট রয়েছে পি কে হালদারের কাছে। তাই হাইকোর্ট এ বিষয়ে আগামী ১৫ মার্চ বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি মহি উদ্দিন শামীমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে শুনানির দিন নির্ধারণ করেছেন।


এর আগে পি কে হালদারের ৮৩ সহযোগীর ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ আছে বলে হাইকোর্টকে জানান বাংলাদেশ ফাইন্যানশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)।


হাইকোর্টে দাখিল করা বিএফআইইউর প্রতিবেদনে পি কে হালদার ও তার ৮৩ সহযোগীর ৪৩টি নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠানের নামে ঋণ দিয়ে একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের বিস্তারিত তথ্যও উঠে এসেছে।

সংযুক্ত থাকুন