রবিবার, ১৩ জুন ২০২১
Logo
পুলিশ আতংকে পুরুষ শূন্য লোহাগড়ার কুমড়ি গ্রাম : ফসল ঘরে তুলতে মাঠে নারীরা

পুলিশ আতংকে পুরুষ শূন্য লোহাগড়ার কুমড়ি গ্রাম : ফসল ঘরে তুলতে মাঠে নারীরা

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার সন্ত্রাসের জনপদ খ্যাত সেই কুমড়ি গ্রামে দুপক্ষের সংঘর্ষের সময় পুলিশের উপর হামলা ও অস্ত্র ছিনতাইয়ের ঘটনার পর ১৬ জনের নামে লোহাগড়া থানায় মামলা হয়। এই মামলায় পুলিশির গ্রেফতার আতংকে কুমড়ি পূর্বপাড়াসহ আশপাশের এলাকা পুরুষ শূন্য হয়ে পড়েছে।


এদিকে পুলেশের ভয়ে ও পঞ্চপল্লির অত্যাচারে গ্রাম ছাড়া হয়েছে অনেক নির্দোষ নিরীহ কৃষক। বাধ্য হয়ে মাঠে নেমেছে ঐ গ্রামের মহিলারা। কিন্তু ধান কাটলে ও গ্রেফতারের ভয়ে কাটা ধান ঘরে তুলতে পারছেন না তারা। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় পুরুষ শূন্য ওই সকল পরিবারে নারীরা মাঠে নেমে সোনালী ধান ঘরে তুলতে কাজ করে চলেছে। তারা রমজান মাসে প্রচন্ড তাপদাহ উপেক্ষা করে দিনভর মাঠে ধান কেটে ঘরে ওঠাতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। যদিও ধান কাটতে পারলেও ধান বেঁধে বাড়িতে উঠাতে হিমশি খাচ্ছে তারা।

 

এলাকার ভুক্তভোগি অনেক মহিলারা বলেন, আমরাও চাই এ ধরনের ঘটনার সাথে যারা জড়িত সকলের কঠিন শাস্তি হোক। কিন্তু যারা এই ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট না, যারা নির্দোষ নিরীহ এদের কে যেনো বিনা কারণে গ্রেফতার না করা হয়। এবং তারা যেনো বাড়ি এসে ঘরে তুলতে পারে তাদের সোনালী ফসল। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহিলা বলেন পঞ্চ পল্লির পরিচালক পুলিশকে যাকে ধরতে বলছে তাকে পুলিশ ধরে নিয়ে পিটাচ্ছে। এলাকার শান্তি প্রিয় জনগন শান্তিতে বসবাস করতে চায়।

 

এ বিষয় নড়াইলের পুলিশ সুপার প্রবির কুমারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, যারা প্রকৃত নিরাপরাধী তাদের আমার পুলিশ বাহীনি কিছু বলবেনা তারা তাদের মতো করে বাড়ি বসবাস করবে। আর যদি অন্য কেউ তাদের ধান কাটতে বাধা দেয় তারা থানায় অভিযোগ করবে।

 

এলাকাবাসির জোর দাবি সঠিক তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের আটক করা হোক এবং নির্দোষ অসহায় মানুষদের যাতে পুলিশ হয়রানি না করে সে বিষয়ে পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেন এলাকাবাসি।

সংযুক্ত থাকুন