রবিবার, ১১ এপ্রিল ২০২১
Logo
বাঘারপাড়া পৌর নির্বাচন নিয়ে চারটি মামলা

বাঘারপাড়া পৌর নির্বাচন নিয়ে চারটি মামলা

যশোরের বাঘারপাড়া পৌরসভার নির্বাচনে অনিয়ম ও ভোট গণনায় কারচুপির অভিযোগে নির্বাচনী ট্রাইবুনালে পৃথক চারটি মামলা হয়েছে। যুগ্ম জেলা জজ প্রথম ও নির্বাচন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আসিফ ইকবাল অভিযোগগুলো গ্রহণ করে বিবাদীদের নামে সমন জারির আদেশ দিয়েছেন।

 

বুধবার সংরক্ষিত দুই নম্বর ওয়ার্ডের নারী কাউন্সিলর প্রার্থী গোলাপী খাতুন, সংরক্ষিত তিন নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী জোৎস্না হাবিব, এক নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী রবিউল ইসলাম ও পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী সোহেল রানা বাদী হয়ে এ মামলাগুলো করেছেন।

 

গোলাপী খাতুনের মামলায় সংরক্ষিত আসনের নির্বাচিত প্রার্থী নমিতা শর্মা, বিভাগীয় নির্বাচন কমিশনার, জেলা নির্বাচন অফিসার, উপজেলা নির্বাহী রিটার্নিং কর্মকর্তা, তিন ওয়ার্ডের প্রিজাইডিং অফিসার, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হাওয়া খাতুন ও হাসিয়া খাতুনকে বিবাদী করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করছেন বাদী গোলাপী খাতুনের আইনজীবী ইলিয়াস সা’দত।

 

জোৎস্না হাবিবের মামলায় বিবাদী করা হয়েছে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী তসলিমা খাতুন, সীমা খাতুন, জেলা রিটার্নিং অফিসার, উপজেলা নির্বাচনী কর্মকর্তা, বিভাগীয় নির্বাচন কমিশনার ও প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে। রবিউল ইসলামের মামলায় বিবাদী করা হয়েছে নির্বাচিত প্রার্থী ফয়সাল হোসেন, জেলা রিটার্নিং অফিসার, উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা, বিভাগীয় নির্বাচন কমিশনার ও প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে।

 

এছাড়া পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের সাধারণ কাউন্সিলর প্রার্থী সোহেল রানার মামলায় বিবাদী করা হয়েছে নির্বাচিত প্রার্থী ওলিয়ার রহমান, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মো. সাল্টু, জেলা রিটার্নিং অফিসার, উপজেলা নির্বাচনী কর্মকর্তা, বিভাগীয় নির্বাচন কমিশনার ও প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে।

 

পৃথক এ চার মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী গত ১৪ ফেব্রুয়ারি বাঘারপাড়া পৌরসভার ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ভোটে তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ক্ষমতার অপব্যবহার করে নির্বাচনের আচরণবিধি লংঘন করেছিলেন।

 

এ ব্যাপারে প্রত্যেকে নির্বাচনী কর্মকর্তাদের কাছে অভিযোগ করেছিলেন। এরপর তারা বিজয়ী হতে নানা ষড়যন্ত্র শুরু করেন। এমনকি ভোটের দিন মামলার বাদীদের এজেন্টদের ভোট কেন্দ্র থেকে বের করে দেয়া হয়। ভোট গণনার সময়ও তাদের মনোনীত কাউকে থাকতে দেয়া হয়নি। এছাড়া তাদের অনেক ভোট বাতিল করা হয়েছে। প্রিজাডিং অফিসার ভোট গণনায় কারচুপি করে বিবাদীদের বিজয়ী ঘোষণা করেছেন।

 

এ ব্যাপারে লিখিত অভিযোগ দিলেও তা গ্রহণ করা হয়নি। এজন্য ব্যালট পেপার সাঠিকভাবে যাচাই-বাছাই করে পুনরায় ভোট গণনা করা হলে মামলার বাদীরা নির্বচিত হবেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

সংযুক্ত থাকুন