রবিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২১
Logo
যশোর শিক্ষাবোর্ডে শেখ রাসেল ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট সম্পন্ন

যশোর শিক্ষাবোর্ডে শেখ রাসেল ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট সম্পন্ন

মুজিববর্ষ উপলক্ষে যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডে শিক্ষকদের শেখ রাসেল ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট প্রতিযোগিতায় চ্যাপিম্পয়ন হয়েছে শার্শার নাভারণ আকিজ কলেজিয়েট স্কুল ও রানার্সআপ হয়েছে সরকারি এম এম কলেজ।

 

কলেজ পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে সরকারি এম এম কলেজ ও রানার্স আপ হয়েছে শার্শার নাভারণ ডিগ্রি কলেজ। স্কুল পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে শার্শার নাভারণ আকিজ কলেজিয়াট স্কুল ও রানার্সআপ হয়েছে যশোর কালেক্টরেট স্কুল।

 

গত বৃহস্পতিবার (২১ জানুয়ারি) রাতে যশোর শিক্ষাবোর্ডের আয়োজনে ও শিক্ষাবোর্ড মডেল স্কুল অন্ড কলেজের ব্যবস্থাপনায় ৬ দিনব্যাপী এ টুর্নামেন্টের সমাপনী দিনে পুরস্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার, সমবায় ও পল্লী উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টচার্য প্রধান অতিথি হিসেবে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ দলের মাঝে পুরস্কার তুলে দেন।

 

যশোর শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মোল্লা আমীর হোসেনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক তমিজুল ইসলাম খান, পুলিশসুপার মুহাম্মদ আশরাফ হোসেন ও শিক্ষাবোর্ড মডেল স্কুল অন্ড কলেজের অধ্যক্ষ লে.ক. গোলাম মোস্তফা।

 

অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষাবোর্ডের সচিব প্রফেসর এ এম এইচ আলী আর রেজা, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মাধব চন্দ্র রুদ্র, সরকারি এম এম কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রফেসর সেখ আবুল কওসার, ঝিকরগাছা সরকারি গঙ্গানন্দপুর কলেজের অধ্যক্ষ জয়ন্ত কুমার বিশ্বাস, দৈনিক স্পন্দনের নির্বাহী সম্পাদক মাহাবুব আলম লাভলু, ডা. আব্দুর রাজ্জাক মিউনিসিপ্যাল কলেজের অধ্যক্ষ জেএম ইকবাল হোসেন, হামিদপুর আলহেরা কলেজের অধ্যক্ষ মফিজুল ইসলাম, নতুনহাট পাবলিক কলেজের অধ্যক্ষ মোয়াজ্জেম হোসেন, ঝিকরগাছা সরকারি এম এল মডেল হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমান আজাদ।

 

উপস্থিত ছিলেন যশোর শিক্ষাবোর্ডের উপ-বিদ্যালয় পরিদর্শক এস এম রফিকুল ইসলাম, কর্মকর্তা কল্যাণ পরিষদের সভাপতি কামাল হোসেন, যুগ্ম-সম্পাদক মুজিবুল হক, কর্মচারি ইউনিয়নের সভাপতি আব্দুল মান্নান, সাধারণ সম্পাদক মাকসুদ আল হাবিব বাপ্পী, বাহাদুরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমান আজাদ ও নিউটাউন বাদশা-ফয়সাল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এস এম রবিউল আলম।

 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি স্বপন ভট্টচার্য বলেন, বঙ্গবন্ধু’র জন্য বাঙালি জাতি গর্ববোধ করে। ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধু নেতৃত্ব না দিলে বাংলাদেশ বিলীন হয়ে যেত। বাঙালি জাতি সমূলে ধ্বংস হতো। বঙ্গবন্ধু’র সাহস, সুচিন্তা ও সুদৃঢ় নেতৃত্বের জন্য পাকবাহিনীদের কোন ষড়যন্ত্র সফল হয়নি।

 

বঙ্গবন্ধ’র আগে অনেক নেতা আন্দোলনের ডাক দিয়েছিলেন কিন্তু কেউ সফল হয়নি। বঙ্গবন্ধু প্রকৃত দেশপ্রেমিক ছিলেন। দেশের জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ করেছেন। কোন লোভ, মোহ ও উচ্চ আঙ্খাংকা তাঁর মধ্যে ছিল না। সেই জন্য বঙ্গবন্ধু প্রতিটি আন্দোলন সফল করতে পেরেছেন।

 

দেশ ও দেশের মানুষকে মুক্তি দিতে পেরেছেন। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীতে যেসব টুর্নামেন্ট করা হয়েছে তা বাঙালির ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সাথে জড়িয়ে থাকবে।

সংযুক্ত থাকুন