শনিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২১
Logo
শার্শার মাঠ গুলো যেন সরিষার হলুদ ফুলের গালিচা : বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা

শার্শার মাঠ গুলো যেন সরিষার হলুদ ফুলের গালিচা : বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা

যশোরের শার্শা উপজেলার মাঠগুলো সেজেছে হলুদ সবুজে। সরিষা ফুলে ভরে উঠেছে মাঠের পর মাঠ। যেদিক থেকেই দেখা হোক না কেনো সেদিকে শুধু হলুদ আর হলুদে সমারোহ।

 

সরিষার হলুদ সবুজের গালিচায় মোড়ানো দিগন্ত বিস্তৃত ফসলের মাঠ। আমন ধান ঘরে উঠার পর এবং বোরো চাষের পূর্বে অল্প সময়ে ও কম খরচে সরিষা চাষ করা যায় বলে এই উপজেলার কৃষকরা অন্যান্য ফসলের পাশাপাশি সরিষা চাষ করে লাভবান হবেন বলে আশা করছেন।

 

কৃষি সমৃদ্ধ উপজেলার আরেক নাম শার্শা। এখানকার মাটি ও আবহাওয়ায় সব ধরনের ফসল চাষের জন্য অত্যান্ত উপযোগী। এ উপজেলায় ধান, পাট, গম, সবজি ও ফলজসহ তৈল জাতীয় বিভিন্ন ফসল চাষ হয়ে থাকে।

 

শার্শা উপজেলায় এ বছর ১৬শ’ ৬০ হেক্টর জমিতে সরিষার চাষ হচ্ছে, যা গত বছরে ১২শ’ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষের লক্ষ্য মাত্রা নির্ধারণ করা হলেও চাষ হয়েছিলো ১২শ’ ৬০ হেক্টর জমিতে।

 

বিঘা প্রতি জমিতে সরিষা চাষ করতে খঁরচ হয় ৩ থেকে ৪ হাজার টাকা। বিক্রি হয় ৭ থেকে ৮ হাজার টাকা। কার্তিক মাসে সরিষা চাষ শুরু হয় এবং কাটা হয় পৌষ থেকে মাঘ মাসের শেষ পর্যন্ত।

 

অন্য বছরের চেয়ে এবার ফলন ভালো হবে বলে মনে করছেন কৃষকরা। আবহাওয়া অনুকূলে ও পোকা মাকড়ের আক্রমণ কম থাকায় এবারও লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে সরিষার ফলন বেশি হবে।

 

মৌমাছিরা পরাগায়নের জন্য মধু সংগ্রহের করতে এক ফুল থেকে অন্য ফুলে ঘুরছে। শার্শা উপজেলা কৃষি অফিসার সৌতম কুমার শীল জানান, শার্শা উপজেলায় এ বছর ১২ থেকে ১৩শ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও চাষ হয়েছে ১৬শ ৬০ হেক্টর জমিতে।

 

কম খরচে ও অল্প সময়ে পতিত জমিতে সরিষা চাষ করা যায় বলে শার্শার কৃষকরা অন্যান্য ফসলের পাশাপাশি সরিষা চাষ করে লাভবান হচ্ছেন।

 

কৃষি অফিস থেকে উন্নত জাতের সরিষার বীজ, উপকরণ, বালাই নাশক সরবরাহসহ চাষ পদ্ধতিতে সহায়তা করে থাকে। উপসহকারী কৃষি অফিসাররা প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকার সরিষাসহ সব ধরনের আবাদি জমি পর্যবেক্ষণ করে থাকেন।

সংযুক্ত থাকুন