মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল ২০২১
Logo
শ্যামনগরে অবৈধ ফয়সাল আমিন ক্লিনিকে চলছে অপারেশন

শ্যামনগরে অবৈধ ফয়সাল আমিন ক্লিনিকে চলছে অপারেশন

শ্যামনগর উপজেলার নওয়াবেঁকীতে ফয়সাল আমিন প্রাইভেট হাসপাতালে কাগজপত্র ছাড়া ভাড়া করা ডাক্তার ও নার্স দ্বারা চলছে রোগীর অপারেশন।

 

গত ২১ নভেম্বর শনিবার সরেজমিনে ঐ ক্লিনিকে গিয়ে দেখা গেছে, বেডে অপারেশন করা রোগীর দেখা মিললেও ডাক্তার ও নার্স এর দেখা মেলেনি। খোজ খবর নিয়ে জানা গেছে, ক্লিনিকে লাইসেন্স তো দুরের কথা কাগজপত্র না থাকায় অনলাইনে আবেদন করতেও পারেননি।

 

ক্লিনিক মালিক ফয়সাল আমিন জানান, শ্যামনগর রিডা প্রাইভেট হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে এসে নওয়াবেঁকীতে নূতন ক্লিনিক করেছি। এখনও পর্যন্ত কাগজপত্র করতে পারেনি। কাগজপত্র ছাড়া ভাড়া করা ডাক্তার দ্বারা রোগীর অপারেশন করা হচ্ছে কেন এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, কাগজপত্র না করে আর ক্লিনিক চালাবো না।

 

আজ থেকে বন্ধ করে দিচ্ছি। এ বিষয়ে শ্যামনগর একমাত্র সরকারী হাসপাতালে স্বাস্থ্য ও প.প কর্মকর্তা ডাঃ অজয় কুমার সাহা বলেন, ইতিপূর্বে আমি নওয়াবেঁকী শামিমা ক্লিনিক, নওয়াবেঁকী প্যাথলজি, ডাক্তার ফার্ণান্দো নব্রে মা ও শিশু হাসপাতাল ও মুন্সিগঞ্জ আর.জি নার্সিং হোম এ অভিযান পরিচালনার জন্য ইউএনও স্যারের নিকট লিষ্ট দিয়েছিলাম।

 

কিন্তু ডাঃ ফার্ণান্দো হাসপাতালে শ্যামনগর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আব্দুল হাই সিদ্দিকী অভিযান করে সীলগালা করে দেন। কিন্তু বাকিগুলো অভিযান পরিচালনা করা হয়নি, কারন বুঝলাম না। আর ফয়সাল আমিন প্রাইভেট ক্লিনিকের বিরুদ্ধে এই সপ্তাহে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

 

শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আ.ন.ম আবুজর গিফারী বলেন, এ্যাসিল্যান্ড মহোদয় ব্যস্ত থাকায় বাকিগুলো অভিযান পরিচালনা করা সম্ভব হয়নি। তবে চলতি মাসে ২৫ নভেম্বর থেকে শ্যামনগরের সব কয়টি ক্লিনিকে নিয়মিত অভিযান চলবে।

উল্লেখ্য শ্যামনগর উপজেলায় ১৫টি বেসরকারী ক্লিনিক ও আনুমানিক ১৫/১৬টি প্যাথলজি চলমান থাকলেও ২/৩টি বাদে সকল ক্লিনিক ও প্যাথলজি গুলোতে নবায়ন হয়নি। অথচ সকল ক্লিনিক ও প্যাথলজিগুলো তাদের কার্য্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। শ্যামনগর সুধী মহলের দাবী দ্রুত ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে অভিযান পরিচালনা করার।

সংযুক্ত থাকুন